1. nakhokan12@gmail.com : @barta :
  2. hasanmukul0@gmail.com : 24news :
শহীদ জিয়ার খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত সরকারের কুরুচিপূর্ণ মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ-খোন্দকার | 24News Bulletin
বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:০৯ অপরাহ্ন

শহীদ জিয়ার খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত সরকারের কুরুচিপূর্ণ মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ-খোন্দকার

  • প্রকাশ : রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৬৫ ভিউ

২৪ নিউজ বুলেটিন ::

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ জিয়ার ভূমিকা দেশ ও বিদেশে স্বীকৃত। তার তুলনা তিনি নিজেই। এমন নেতা বা মুক্তিযোদ্ধা বিশ্বে বিরল। মেজর জিয়াই প্রথম পাকিস্তানি কমান্ডারকে হত্যা করে বিদ্রোহ করেছেন, যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন। আবার তিনি নিজেই জেড ফোর্সের দায়িত্ব নিয়ে সরাসরি যুদ্ধ করেছেন। জিয়াউর রহমান ছাড়া সবাই ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্প করে যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন। একমাত্র তিনিই বাংলাদেশের ভূ-খÐে থেকে যুদ্ধ করেছেন। সবচেয়ে বেশি বীর উত্তম খেতাবও পেয়েছেন তার জেডফোর্সের সদস্যরা। তাকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস হবে না।
আজ রোববার (১৪ ফেব্রæয়ারি) নগরীর কাজীর দেউড়ি নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ জাতির দুর্দিনে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যখন দিশেহারা, অসহায় ছিল, জাতির সেই ক্রান্তিলগ্নে আলোর দিশারি হিসেবে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘোষণা দেন এবং যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তার আহŸানের ফলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থানরত সব বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইপিআর, পুলিশ, ছাত্র-জনতা বাঙালি সেনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর এসে সরকার হঠাৎ জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের দুঃস্বপ্ন কেন দেখছেন তা জাতি জানে।
সমাবেশে বিএনপি কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিষ্টার মীর হেলাল উদ্দীন বলেন, জিয়াউর রহমান মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে করেছেন। যুদ্ধে বীরত্বের জন্য জিয়াউর রহমান খেতাব পেয়েছেন। শহীদ জিয়াই চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন। যতদিন বাংলাদেশের পতাকা থাকবে, ততদিন শহীদ জিয়া বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে অমর হয়ে থাকবেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সাথী উদয় কুসুম বড়–য়া বলেন, বলেন, দুর্নীতি এখন চরম শিখরে পৌঁছেছে। আওয়ামী লীগের কিছু মানুষ রাষ্ট্রের সব সম্পদ কুক্ষিগত করে রেখেছে। সমস্ত জাতি আজ শঙ্কিত। জনগণের পাশে থেকে আমাদেরকে আরও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য নুর মোহাম্মদ ও অধ্যাপক জসিম উদ্দীন চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এম এ হালিম, অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, আলহাজ্ব সালাউদ্দিন, নুরুল আমিন, আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, জসিম উদ্দিন শিকদার, এডভোকেট আবু তাহের, কর্নেল আজিম উল্লাহ বাহার, ডা: খুরশিদ জামিল চৌধুরী, প্রফেসর মির্জা মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাবুল, সেলিম চেয়ারম্যান, এডভোকেট এনামুল হক, আবু আহমেদ হাসনাত, শওকত আলী নূর, অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, মাহবুব সাফা, কাজী সালাউদ্দিন, সোলাইমান মঞ্জু, অধ্যাপক মহসিন, মো. জাকের হোসেন, ইউসুফ নিজামী, জয়নাল আবেদীন দুলাল, আনোয়ার হোসেন, শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, সালাউদ্দিন সেলিম, চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন কাঞ্চন, আবু জাফর চৌধুরী, ফকির আহমেদ, আহসানুল কবির রিপন, দিদারুল আলম মিয়াজী, আলমগীর ঠাকুর, ডা: রফিকুল আলম চৌধূরী, কৃষক দলের সভাপতি অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম লতিফি, কুতুব উদ্দিন খান, হাসান মোহাম্মদ জসিম, মুরাদ চৌধুরী, শফিউল আলম চৌধূরী, নার্গিস আক্তার, সৈয়দ নাসির উদ্দিন, নুরুল হুদা, জাহাঙ্গীর হোসেন, জিএম মোরশেদ, জাহেদুল আফসার জুয়েল, মনিরুল আলম জনি, কে. আলম, শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো খবর